1. m_prodhan@yahoo.com : Mahabub Alam Prodhan : Mahabub Alam Prodhan
  2. bpcitaly@gmail.com : Md abdul Wadud : Md abdul Wadud
  3. rasel1391992@gmail.com : Rasel Ahmed : Rasel Ahmed
  4. currentshomoynews@gmail.com : shomoynews1 :
রবিবার, ০১ অগাস্ট ২০২১, ০৫:২০ অপরাহ্ন

এক দেশ, দুই কৌশল

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২০
  • ১৯৭ বার পঠিত

দুবাই ও আবুধাবি। সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধান দুই রাজ্য ও শহর। কিন্তু এক দেশ হলেও করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সম্পূর্ণ ভিন্ন ভিন্ন কৌশল নিয়েছে এই দুই অঞ্চল।গত সপ্তাহেই দোকানপাট, শপিংমল, হোটেল, বিনোদন পার্কসহ সবকিছুই পুরোপুরি খুলে দিয়েছে দুবাই কর্তৃপক্ষ। ফিরতে শুরু করেছে পর্যটকরা। তবে মাস্ক পরা ও সামাজিক দূরত্ব বিধির নির্দেশনা বহাল রয়েছে।

কিন্তু দর্শনার্থীদের জন্য এখনও উন্মুক্ত হয়নি আবুধাবির দরজা। দেশি হোক বা বিদেশি- করোনা সার্টিফিকেট ছাড়া কাউকেই প্রবেশের অনুমতি নেই। খবর নিউইয়র্ক টাইমস। আরব উপদ্বীপের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে সাতটি স্বাধীন রাজ্য বা আমিরাত নিয়ে একটি ফেডারেশন রাষ্ট্র সংযুক্ত আরব আমিরাত। আমিরাতগুলো হল আবুধাবি, আজমান, দুবাই, আল ফুজাইরাহ, রাআস আল খাইমাহ, আশ শারজাহ্ ও উম্মুল ক্বাইওয়াইন।

আবুধাবি শহর ফেডারেশনের রাজধানী আর দুবাই দেশের বৃহত্তম শহর। এক রাষ্ট্র হলেও উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রতিটি রাজ্যই একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী।এর মধ্যে দুবাই ও আবুধাবির মাঝেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা সবচেয়ে বেশি। করোনা মহামারীতে সেটাকে আরও জোরালো হয়েছে।

খনিজ তেলের বিশাল রিজার্ভ ও হাইড্রোকার্বন শিল্পের সুবাদে করোনার মধ্যেও অন্য রাজ্যগুলো থেকে অপেক্ষাকৃত সুবিধাজনক অবস্থানে আছে আবুধাবির অর্থনীতি। অন্যদিকে বিমান, আন্তর্জাতিক পর্যটন, বাণিজ্য বো রিয়েল এস্টেট ব্যবসার ওপর নির্ভরশীল দুবাই একেবারের ধসের কিনারায়।

পাশাপাশি দুই শহরের এই পরিস্থিতি বিশ্লেষকদের পর্যবেক্ষণেও উঠে এসেছে। রাইস ইউনিভার্সিটির বেকার ইন্সটিটিউটের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষজ্ঞ জিম ক্রেইন বলছেন, করোনার কারণে লকডাউন ও সামাজিক দূরত্বের মধ্যে পড়ে পতনের দ্বারপ্রান্তে চলে গেছে দুবাই। পক্ষান্তরে আবুধাবির প্রায় কিছুই হয়নি।

ওয়াশিংটন পোস্ট বলেছে, ভেঙে পড়া অর্থনীতি মেরামতেই দুবাইকে তাই দ্রুত কাজে ফিরতে হয়েছে। এক্ষেত্রে প্রয়োজনই তাকে করোনা মোকাবেলায় ভিন্ন কৌশল নিতে বাধ্য করেছে। করোনা মোকাবেলায় মার্চের দিকে প্রথম দুই ঘনবসতিপূর্ণ শহর বন্ধ করে দেয় এর কর্তৃপক্ষ।

পরের মাস থেকে পুরো শহরে জারি করা হয় ২৪ ঘণ্টার লকডাউন। এরপর প্রতিবেশী রাজ্যগুলো এমন পদক্ষেপ নেয়। কিন্তু মে মাসের শেষ থেকেই প্রতিবেশীদের অনেক আগে দ্রুতই লকডাউন ও অন্যান্য বিধি নিষেধ তুলে নিতে শুরু করে দুবাই কর্তৃপক্ষ।

এর মাধ্যমে মূলত একটি স্পষ্ট বার্তা দেয়া হয়, ভাইরাস এখন নিয়ন্ত্রণে এবং পর্যটকদের ফেরার জন্য প্রস্তুত শহর। বার ও নাইট ক্লাবগুলো বাদে হোটেল-রেস্তোরাঁ, শপিংমল ও বিনোদন কেন্দ্র সব কিছুই খুলে দেয়া হয়। তবে মাস্ক ও সামাজিক দূরত্ব বিধি বাধ্যতামূলকই রাখা হয়েছে।

এদিকে বিশ্ববাজারে তেলের দাম পড়ে গেলেও তেমন ক্ষতি হয়নি আবুধাবির। উপরন্তু আর্থিক ক্ষতি পোষাতে সোভরেন ওয়েলথ ফান্ড থেকে ১ লাখ কোটি ডলার অর্থ ছাড় করা হয়েছে। আর্থিক খাত শক্তিশালী হওয়ায় লকডাউন তুলে দেয়ার তাড়া নেই রাজধানী শহরের।

এখনও দেশের অন্যান্য রাজ্য থেকে নিজেদেরকে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে। দেশ হোক কিংবা বিদেশ-শহরে প্রবেশ করতে হলে সবাইকে করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এক্ষেত্রে প্রবেশের অন্তত ৪৮ ঘণ্টা আগেই করোনার টেস্ট করাতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

পুরনো সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১