1. m_prodhan@yahoo.com : Mahabub Alam Prodhan : Mahabub Alam Prodhan
  2. bpcitaly@gmail.com : Md abdul Wadud : Md abdul Wadud
  3. rasel1391992@gmail.com : Rasel Ahmed : Rasel Ahmed
  4. currentshomoynews@gmail.com : shomoynews1 :
রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ১০:০০ পূর্বাহ্ন

যে ছয় উপায়ে করোনার সময় খরচ কমাবেন

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২০
  • ১২৫ বার পঠিত

সদা জাগ্রত বিশ্ব করোনা ভাইরাসে পুরোপুরি স্থবির। মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারছে না। আপনজনের সাথে যেতে পারছে না তার প্রিয় গন্তব্যে। ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির। করোনার ভয়াবহতার প্রভাব থাকবে আরও অনেক অনেক মাস। কোটি কোটি মানুষ চাকরি হারাচ্ছে সারা বিশ্বে। তাই নতুন দশকের শুরুতেই আর্থিক মন্দাভাব থাকবে। আমরা সম্ভবত আমাদের প্রজন্মের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জিং সময়টা পার করছি। এবং সেটা কত দীর্ঘ হবে তাও জানি না।

সেজন্যই এই প্রতিকূল সময়ে সবারই ভাবা উচিত, কীভাবে নিজের, পরিবারের বা প্রতিষ্ঠানের খরচের লাগাম টেনে ধরবেন। অবশ্য মহামারির এই কদিনে আমাদের বুঝে যাওয়ার কথা, কোনটা একান্তই প্রয়োজনীয় খরচ, আর কোনটা নিছক বিলাসিতা। এই শিক্ষাটা অবশ্য সব সময়ের জন্যই। তা–ও করোনা-পরবর্তী সময়ে যেন আর্থিকভাবে বিপদে পড়তে না হয়, সে জন্য এখন থেকেই সহজ কিছু উপায় মেনে চলতে পারেন।

১. মাসিক বাজেট করুন

প্রতি মাসের জন্য একটা বাজেট তৈরি করুন। যাতে মাস শেষে খরচ কোনোভাবেই আপনার নিয়মিত আয়কে ছাড়াতে না পারে। জরুরি চিকিৎসা বা অন্য কোনো বিপদের জন্য যেন কিছু অর্থ জমাতে পারেন। সে জন্য আয়ের একটা অংশ সঞ্চয়ের জন্যও বরাদ্দ রাখা লাগবে।

২. অপ্রয়োজনীয় খরচগুলোকে আলাদা করুন

সঠিকভাবে খরচের হিসাবটা করে ফেললেই কিন্তু আপনার অর্ধেক কাজ সারা। এবার আপনার মাসিক আয়ের সঙ্গে খরচের পার্থক্য কতটুকু তা দেখতে হবে। যদি হিসাব করে দেখেন, আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হয়ে যাচ্ছে, তাহলে কোন কোন খরচের খাত একেবারেই অপ্রয়োজনীয় বা কোন কোন খাতে চাইলেই খরচ কমাতে পারবেন, সেটা দেখুন। যেমন, যদি দেখেন রেস্তোরাঁয় খাওয়া বাবদ খরচাপাতি বেশি হচ্ছে, তাহলে সেখানে যাওয়া কমান। অনলাইনে কোনো ইলেকট্রনিক গেজেট বা অন্যান্য কোনো পণ্য দেখলেই যদি কেনার প্রবণতা থাকে, একান্ত জরুরি না হলে সেই অভ্যাসটাও বদলান। এমন আরও অনেক কিছুই পাবেন।

৩. ধার করে বিলাসী দ্রব্য কেনা বন্ধ করুন

প্রয়োজন এবং চাহিদার মধ্যে পার্থক্য বুঝতে শিখুন। ‘ডিসকাউন্ট অফার’-এর ফাঁদে পড়ে আমরা অনেক কেনাকাটাই করে ফেলি। এমনকি অনেক সময় কারও থেকে ধার করে বা ব্যাংক থেকে ক্রেডিট কার্ডে লোন নিয়ে কিনে ফেলি সেটা। হয়তো জিনিসটা আপনি পরে কিনলেও পারতেন। ধারকর্জ করা কখনোই সমাধান না। ধার না নিয়ে বরং নিজেকে জিজ্ঞেস করুন, কী কী করলে অথবা কীভাবে আয় বাড়ালে বা সঞ্চয় করলে জিনিসটা আমি কিনতে পারব সামনে।

৪. খাতভিত্তিক মাসিক খরচের হিসাব করা

এর মধ্যে জরুরি যে কাজটি করতে হবে তা হলো, মাসিক খরচের একটা হিসাব করা। যে কদিন ঘরবন্দী আছেন, এই সময়টাতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এ কাজটি সেরে ফেলুন। পরিবার বা প্রতিষ্ঠান, যেকোনো ক্ষেত্রেই এই হিসাবটা জরুরি। কোন কোন খাতে প্রতি মাসে কত খরচ হয়, তার একটা ছক তৈরি করুন।

৫. সঞ্চয়ের জন্য মাসের প্রথমেই অর্থ আলাদা করুন

এরপর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ যেটি করবেন তা হলো, ব্যাংক-ডাকঘর-বিমা বা যেকোনো জায়গায় সঞ্চয়ী হিসাব খুলে ফেলা। এবং প্রতি মাসে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ সেখানে জমা রাখা। যত কষ্টই হোক আপনার নিয়মিত আয়ের অন্তত ১০ শতাংশ সঞ্চয় করতে হবে। মাসের খরচের পরে অর্থ সঞ্চয় করতে গেলে দেখবেন, কোনোভাবেই জমানো হচ্ছে না। তাই মাসের শুরুতেই সঞ্চয়ী হিসাবে টাকা জমা রেখে দেবেন। কিছু টাকা জমে গেলে দেখবেন, মানসিক প্রশান্তিও এনে দিচ্ছে তা আপনাকে।

৬. পরবর্তী দুই মাস প্রতিটি খরচ লিখে রাখুন

পরবর্তী কয়েক মাস আপনার সমস্ত খরচকে আতশি কাচের নিচে ফেলবেন। কষ্ট করে অন্তত দুই মাস আপনার রোজকার খরচ কোথাও লিখে রাখুন। দুই মাস না পারলে অন্তত এক মাসের জন্য করুন। মোবাইলের নোটস, এক্সেল শিট, অনলাইনের চমৎকার কিছু টুলস অথবা কোনো ডায়েরি-নোটপ্যাডে টুকে রাখুন খরচের হিসাব। সাবধান থাকবেন কোনোভাবেই যেন মাসের শুরুতে ঠিক করা বাজেটের অতিরিক্ত খরচ না হয়। দুই-তিন মাস গেলেই পার্থক্যটা নিজেই টের পাবেন। বাজেটের মধ্যে খরচাদি সামলে ফেলার ইচ্ছেশক্তি থাকলেই দেখবেন, আগের বাজে খরচগুলো আর হচ্ছে না। পরিমিত ব্যয় করলে আপৎকালে কিছুটা নিশ্চিন্ত হতে পারবেন।

নিজের খরচের অভ্যাস বা খরচের খাতগুলো চিহ্নিত করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এরপর মাসিক বাজেট করে পরিমিত ব্যয়ের অভ্যাসটা গড়ে তুলতে হবে। এতে করেই এই দুর্যোগের সময়ে কিছুটা মানসিক স্বস্তি পেতে পারেন।

কারণ, আমরা কেউই জানি না, এই দুর্যোগ কবে শেষ হবে। এই মহামারির সময়ে অনেক ভালো চাকরি করতেন, এমন অনেকেই চাকরি হারিয়েছেন। তাদের হয়তো সঞ্চয় ছিল, তাই তারা কিছুদিন চলতে পারবেন। কিন্তু যারা ছোট চাকরি করতেন বা সঞ্চয় নেই, তারা কী করবেন। সেজন্য নিজের ও পরিবারের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করেই মিতব্যয়ী হতে হবে। এছাড়া কোনও উপায় নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

পুরনো সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১